জীবন থেকে চলে গেল আরেকটি বছর। ক্যালেন্ডারের পাতায় ইতিহাস হয়ে থাকবে ২০২১ সাল। শুরু হবে নতুন বছরের নতুন তারিখ গণনা। যদিও প্রাত্যহিক জীবনের খুব বেশি পরিবর্তন হয়তো হবে না। সবই চলবে আগের নিয়মে। সূর্য ওঠবে, পাখি ডাকবে। জীবন প্রবহমান থাকবে জীবনের নিয়মে।
আবোল-তাবোল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আবোল-তাবোল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১
বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০
ফেলে আসা বাড়ি - কে হায় হৃদয় খুঁড়ে - ১
জনৈক দাদাকে
প্রিয় দাদা,
প্রণাম ও শুভেচ্ছা জানবেন। ফেইসবুকে আপনার একটি মন্তব্যের আলোকে এই লেখা। ভুল-ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ আছে, এবং আপনার প্রত্যুত্তর আমাকে অনেক উৎসাহ যোগাবে।
আপনি একসময় বেশ লেখালেখি করতেন। আমার অনুরোধ আবার শুরু করুন, আমাদের বাড়ি, আমাদের অতীত-ইতিহাস, আমাদের অতীতের এবং বর্তমানের যাপিত জীবন - এগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। আজ সারা পৃথিবীতে আমরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি, আমাদের কথা আমরা না বললে, আমাদের পূর্ব-পুরুষেরা এবং আমরা নিজেরাই ইতিহাসের পাতা থেকে একদিন বিলীন হয়ে যাবো। নতুন প্রজন্ম কোনো দিশা খুঁজে পাবে না। সবার সম্মিলিত স্মৃতির মাধ্যমে আমরা আমাদের অতীত ইতিহাসকে ভাবীকালের জন্য রেখে যেতে পারবো।
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২০
ফেলে আসা চৈত্রদিন, ফেলে আসা নববর্ষ
মাঝে মাঝে মনে হয় আমাদের শৈশবই অর্থাৎ শৈশবের স্মৃতি আমাদের বাঁচিয়ে
রাখে। এত গ্লানি, এত জরা, এত হাহাকার-কষ্ট চারিদিকে, কিন্তু একবার বাল্যে
কিংবা কৈশোরে ডুব দিলেই নিমেষে সব উধাও। স্মৃতিরা ডানা ঝাপটাতে থাকে, কান
পাতলে শুনি সেই সব শব্দ! চোখ বন্ধ করলেই দেখতে থাকি সবুজ কচি নিমপাতার ডাল,
নরোম নধর গায়ে বাটা-কাঁচা-হলুদের আলতো পরশ। চোখে ভাসে সেই সব দিন - খুব
সকালে যখন ভোরের আলোর আবছায়া ভাবটা কেটে যায়, কিন্তু চৈত্রের সূর্য তখনো
কড়া রোদের আঁচ নিয়ে হাজির হয় না, ঠিক সেই সময় বাড়ির সব ছোটরা উঠোনে পাটি
বিছিয়ে ফুলের ঝুড়ি আর সুঁই-সুতো নিয়ে পা ছড়িয়ে বসে আছে। ছোটরা উপলক্ষ্য
পেলেই হত, সেটা তাদের কাছে আসতেই না আসতেই হয়ে যেত উৎসব।
চৈত্র-সংক্রান্তিতে মালা গাঁথার জন্য আগের দিন সারা বাড়ি, পাড়া তন্ন তন্ন
করে যোগাড় করতাম বিভিন্ন ধরনের ফুল। সেটাও আমাদের কাছে ছিল ‘ফুল-তুলনি’
উৎসব! ভোর রাতে আধো অন্ধকারে বেশ দূরের একটি বাড়িতে যেতাম ফুল তুলতে, সৌখিন
বাড়িওয়ালার ছিল চমৎকার ফুল-বাগান, আমরা
বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০
ভালোবাসার আফ্রিকা
বুক ভরে নিঃশ্বাস নেয়া যেত আফ্রিকার বাতাসে।
রৌদ্র ঝলমলে দিনে আকাশে ভেসে বেড়াত সাদা সাদা মেঘ,
মেঘেদের গায়ে লেগে থাকত বিচিত্র আকৃতির বাহার!
এখানে আকাশকে ঢেকে দাঁড়িয়ে থাকতো না কিম্ভূত ও অশ্লীল কোনো দীর্ঘ দালান।
আকাশ আর মেঘ দেখার জন্য কোনো প্রচেষ্টার হতোনা প্রয়োজন,
বরং আকাশ এসে চোখের সামনে মেলে ধরত তার চোখ ধাঁধানো নীলাভ রূপ!
মেঘ আর মেঘের পালক চোখের পাতা গলে হারিয়ে যেত অক্ষি-গোলকে!
শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৯
সাধন আর হবে না, সময় যে যাচ্ছে চলে
ব্লগে ঢুকি মাঝে মধ্যে। কখনো এক মাস, কখনো মাস দুয়েক পর।
ভাবি কত কি লেখার ছিল। সেই ২০১১ সালে শুরু করেছিলাম। এত বছরে এই ব্লগ কত সমৃদ্ধ হতে পারত। কত ধরনের লেখার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বন্ধ্যা সময়ের প্রতিভূ হয়ে গেলাম। কালি নেই কলমে, মগজের ভাবনাগুলোতেও ধরেছে জং। ফেবু-তেও ছেড়ে দিয়েছে লেখা। চারপাশে এত অস্থিরতা, অনিময়, অরাজকতা। মন বসাতে পারি না। ব্যক্তিগত ঝামেলা আর অনভ্যাসে বিদ্যাও পাচ্ছে হ্রাস। দীর্ঘসময় ধরে, ধারাবাহিকভাবে কোন কিছু করা আজকাল প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠছে। শুধু পরিকল্পনা আর ভাবনাতেই সব থেমে আছি। কার্যে প্রতিফলিত হচ্ছে না।
ভাবি কত কি লেখার ছিল। সেই ২০১১ সালে শুরু করেছিলাম। এত বছরে এই ব্লগ কত সমৃদ্ধ হতে পারত। কত ধরনের লেখার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বন্ধ্যা সময়ের প্রতিভূ হয়ে গেলাম। কালি নেই কলমে, মগজের ভাবনাগুলোতেও ধরেছে জং। ফেবু-তেও ছেড়ে দিয়েছে লেখা। চারপাশে এত অস্থিরতা, অনিময়, অরাজকতা। মন বসাতে পারি না। ব্যক্তিগত ঝামেলা আর অনভ্যাসে বিদ্যাও পাচ্ছে হ্রাস। দীর্ঘসময় ধরে, ধারাবাহিকভাবে কোন কিছু করা আজকাল প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠছে। শুধু পরিকল্পনা আর ভাবনাতেই সব থেমে আছি। কার্যে প্রতিফলিত হচ্ছে না।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)