শিল্পকলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিল্পকলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২২ জুন, ২০২০

আঁকিবুঁকি ২

বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলাম তখন। কী একটা বিশেষ কাজে আন্দরকিল্লা এসেছি। আকাশে গনগনে সূর্য। তপ্ত দুপুর। আন্দরকিল্লা মোড়টা ধ’রে চেরাগির দিকে আসছিলাম বোধহয়। রোদের আঁচে আমার মুখ কিছুটা লালচে আকার ধারণ করেছে। ঘামে ভেজা শার্ট আর গেঞ্জি শরীর জুড়ে লেপ্টে আছে। সেই রকম এক দুপুরে অস্থির আমি আন্দরকিল্লার কোনো একটি দোকানে ঢুকে আর্ট-খাতা কিনি একটা; সাথে জলরঙের একটা বক্স আর এক ডজন প্যাস্টেল রঙ। ইজেল-টিজেল কেনার টাকা ছিল না, ঝামেলাও নিতে চাই নি। মোটা আর্ট-পেপারে বাঁধানো একটা খাতা। ভাবলাম এটা হোক আমার ছবি আঁকার খাতা। ব্যাগের মধ্যে রাখা যাবে, আর যখনি মন চাইবে আঁকিবুকিতে সাদা পাতাগুলোকে রঙিন করে দেব।

সেই খাতাটি আজো রয়ে গেছে কালের সাক্ষী হয়ে। খাতার পৃষ্টাগুলো মেলে ধরলে সেগুলো প্রজাপতি হয়ে আমার চারপাশে উড়তে থাকে। লাল-নীল-সাদা-কালো-সবুজ-হলুদের কত শত বিচিত্র রঙের প্রজাপতি। প্রজাপতিরা ওড়ে আর অদ্ভুত বিচিত্র সব কারণে আমার মনটা হারিয়ে যায় দূর অতীতে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২০

বইয়ে অঙ্কন ১

নতুন বই, বইয়ের গন্ধের প্রেমে পড়ে নি, বইপড়ুয়াদের মধ্যে এই ধরনের মানুষের সংখ্যা কমই আছে। যারা অনেক বই সংগ্রহ করতে অভ্যস্ত তাদেরকে দেখেছি, নিজের নামের একটি সিলমোহর বানিয়ে নিতে। বইয়ে নিজের নাম লেখার মধ্যে একেকজনের একেক স্টাইল দেখেছি। কেউ বইয়ের শুরুর কোনো পৃষ্ঠার কোণায় শুধু নাম, কেউ শুধু নাম-তারিখ, কেউ গ্রাম-শহর সব কিছুর ঠিকানা লিখে বইয়ের একমাত্র মালিক বলে নিজেকে দাবি করা ইত্যাদি বিচিত্র অভ্যাসের সমাহার লক্ষ করেছি। এই গৌরচন্দ্রিকার কারণ নতুন বই কিনে নাম লেখার ক্ষেত্রে আমার নিজেরও কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ছিল, সেটা তুলে ধরা। আমি নাম লিখতাম, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় নিজের ডিপার্টমেন্ট আর তারিখ উল্লেখ করতাম। অনেকসময় যে এলাকায় থাকতাম তার নামও লিখতাম। বাংলা ইংরেজি দুটি তারিখও লেখার অভ্যাস ছিল। তবে ব্যতিক্রমি একটা অভ্যাস ছিল, বইয়ের সাদা পৃষ্টায় ছবি আঁকা বা অলঙ্করণ করা ইত্যাদি। অন্য কেউ যদি এই অভ্যাসের দাস হয়ে থাকেন জানিয়ে কৃতার্থ করবেন। 


বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৫

প্রতিমাশিল্পঃ প্রেক্ষিত দুর্গাপূজা ২০১৫

দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব। প্রতিবছর হিন্দুরা অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে এই উৎসব পালন করেন। বাংলাদেশে এইবারের পূজার স্লোগান ছিল, 'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।' তবে প্রতিবছরের মত এবারও বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা ভাঙার মত ন্যাক্কারজনক কুকর্মের পূনরাবৃত্তি হয়। যদিও বিভিন্ন মন্দিরে উৎসবের কোনো ঘাটতি চোখে পড়ে নি। শেষ দিন পর্যন্ত ছিল পূজোয় অসংখ্য দর্শনার্থী। হিন্দু ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পুজোর উৎসবে সামিল হয়েছেন সোৎসাহে। কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াও সারাদেশে পুজো উদযাপিত হয়। যথাযথ নিরাপত্তা প্রদানে সাফল্যের জন্য প্রশাসন ও সরকার সকলের কাছে সবিশেষ প্রশংসা অর্জন করেন।

মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

আর্ট-খাতা থেকে - (এক)

ভার্সিটির প্রথম বর্ষে পড়ার সময় এক তপ্ত দুপুরে আন্দরকিল্লা মোড়টা পার হচ্ছিলাম। মাথার উপর গনগনে সূর্য। রোদের আঁচে আমার মুখ কিছুটা লালচে আকার ধারণ করেছে। ঘামে ভেজা শার্ট আর গেঞ্জি শরীর জুড়ে লেপ্টে আছে।
 

রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৫

বইয়ের পাতায় আঁকিবুকি ১

যখনই নতুন কোনো বই কিনতাম, নাম লেখারা পাশাপাশি কিছু একটা আঁকার একটা চমৎকার নেশা ছিল আমার। পুরনো বইগুলো উল্টাতে গেলে আজো চোখে পড়ে সেইসব শিল্প-কর্ম। হয়তো অসাধারণ কোনো ছবি নয়, কিন্তু কাঁচা হাতের সেইসব অলংকরণে ভালোবাসার কোনো কমতি ছিল না।




মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

প্রিয় বইয়েরা আমার

প্রিয় ১০ টি বইয়ের নাম বলা যেগুলো দ্বারা খুব প্রভাবিত আমার ব্যক্তি জীবন – বেশ কঠিন কাজই বটে। ফেবু-তে সবার তালিকা দেখে পড়তাম, ভালো লাগতো। অনেকের প্রিয় বইয়ের তালিকায় যখন আমারও ভালোলাগা বইগুলো থাকতো মনটা আরো বেশি উৎফুল্ল হতো। 

সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১২

পরাবাস্তবতাবাদ ও সালভাদর দালি

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পরাবাস্তবতাবাদ ঘরানার শিল্প-আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। সমাজের অবক্ষয়, যুদ্ধ, হানাহানি, সন্ত্রাসের দমবন্ধ করা পরিবেশ মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে আর স্বাভাবিক থাকতে দিচ্ছিল না। সেইসময় সৃষ্টিশীল ও সংবেদনশীল মানুষের ক্ষোভ ও যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ শিল্প-কলার মাধ্যমে বিচিত্রভাবে প্রকাশিত হতে থাকে। এটার সূচনাকালকে মোটাদাগে চিহ্নিত করতে হলে মূলত বিশ শতকের শুরুর দিকে নজর ফেলতে হবে। চিত্রকলা, ভাস্কর্য, সাহিত্য, চলচ্চিত্র, দর্শন, রাজনৈতিক ও সামাজিক চিন্তাভাবনা সবকিছুতেই এই শিল্পান্দোলনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।

সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১১

মনে দাগ কাটার মত ছবিঃ Les Femmes De L'Ombre



ফরাসি পরিচালক জ্যঁ পল সালোমে-র (Jean-Paul Salome) এক অসাধারণ সৃষ্টি এই চলচ্চিত্র। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় ফরাসি নারীরা যে সাহস, সংগ্রাম ও ত্যাগের পরিচয় দিয়েছেন তার মহাকাব্যিক চিত্রায়ণ ফুটে উঠেছে এই সেলুলুয়েডে।