বিচ্ছিন্ন ভাবনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিচ্ছিন্ন ভাবনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০

ফেলে আসা বাড়ি - কে হায় হৃদয় খুঁড়ে - ১


জনৈক দাদাকে

প্রিয় দাদা,

প্রণাম ও শুভেচ্ছা জানবেন। ফেইসবুকে আপনার একটি মন্তব্যের আলোকে এই লেখা। ভুল-ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ আছে, এবং আপনার প্রত্যুত্তর আমাকে অনেক উৎসাহ যোগাবে।  

আপনি একসময় বেশ লেখালেখি করতেন।  আমার অনুরোধ আবার শুরু করুন, আমাদের বাড়ি, আমাদের অতীত-ইতিহাস, আমাদের অতীতের এবং বর্তমানের যাপিত জীবন -  এগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। আজ সারা পৃথিবীতে আমরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি, আমাদের কথা আমরা না বললে, আমাদের পূর্ব-পুরুষেরা এবং আমরা নিজেরাই ইতিহাসের পাতা থেকে একদিন বিলীন হয়ে যাবো। নতুন প্রজন্ম কোনো দিশা খুঁজে পাবে না। সবার সম্মিলিত স্মৃতির মাধ্যমে আমরা আমাদের অতীত ইতিহাসকে ভাবীকালের জন্য রেখে যেতে পারবো।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২০

বইয়ে অঙ্কন ১

নতুন বই, বইয়ের গন্ধের প্রেমে পড়ে নি, বইপড়ুয়াদের মধ্যে এই ধরনের মানুষের সংখ্যা কমই আছে। যারা অনেক বই সংগ্রহ করতে অভ্যস্ত তাদেরকে দেখেছি, নিজের নামের একটি সিলমোহর বানিয়ে নিতে। বইয়ে নিজের নাম লেখার মধ্যে একেকজনের একেক স্টাইল দেখেছি। কেউ বইয়ের শুরুর কোনো পৃষ্ঠার কোণায় শুধু নাম, কেউ শুধু নাম-তারিখ, কেউ গ্রাম-শহর সব কিছুর ঠিকানা লিখে বইয়ের একমাত্র মালিক বলে নিজেকে দাবি করা ইত্যাদি বিচিত্র অভ্যাসের সমাহার লক্ষ করেছি। এই গৌরচন্দ্রিকার কারণ নতুন বই কিনে নাম লেখার ক্ষেত্রে আমার নিজেরও কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ছিল, সেটা তুলে ধরা। আমি নাম লিখতাম, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় নিজের ডিপার্টমেন্ট আর তারিখ উল্লেখ করতাম। অনেকসময় যে এলাকায় থাকতাম তার নামও লিখতাম। বাংলা ইংরেজি দুটি তারিখও লেখার অভ্যাস ছিল। তবে ব্যতিক্রমি একটা অভ্যাস ছিল, বইয়ের সাদা পৃষ্টায় ছবি আঁকা বা অলঙ্করণ করা ইত্যাদি। অন্য কেউ যদি এই অভ্যাসের দাস হয়ে থাকেন জানিয়ে কৃতার্থ করবেন। 


ধর্ম, মানবতা ও অন্যান্য

ছবির ভিনদেশী মানুষগুলোর জাতীয়তা ফরাসি। সত্তরের কাছাকাছি বয়স অনেকের। চাকুরি থেকে অবসর নিয়ে অনেক দিন ধরে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করে যাচ্ছেন। সবাই ফ্রান্সের ভিন্ন ভিন্ন লোকালয়ের বাসিন্দা, কাছাকাছি এলাকার যদিও। আত্মীয়তার বন্ধনের বা রক্তের বন্ধনে কেউ কারো সাথে জড়িত নয়। তবে হ্যাঁ, আত্মার বন্ধন আছে সবার সাথে সবার। ওদের প্রধানতম উদ্দেশ্য মানব সেবা, জীবনের এই বয়সে এসেও একটাই প্রচেষ্টা মানুষ হয়ে মানুষের কল্যাণে নিজেদের ব্যাপৃত রাখা।
এই করোনা কালে ওদের নিয়ে লেখার একটা কারণ আছে। ওরা এসেছিল বাংলাদেশে মাস চারেক আগে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। ওদের প্রজন্মের লোকেরা সাধারণত ইংরেজি জানে না বিশেষ কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া, সেই সুবাদে আমি ওদের সাথে দোভাষী ও অনুবাদক হিসেবে কাজ করেছিলাম, ঘুরে বেড়িয়েছিলাম দিন দশেক ঢাকা ও রাজশাহীর বিভিন্ন অঞ্চলে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২০

ফেলে আসা চৈত্রদিন, ফেলে আসা নববর্ষ


মাঝে মাঝে মনে হয় আমাদের শৈশবই অর্থাৎ শৈশবের স্মৃতি আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। এত গ্লানি, এত জরা, এত হাহাকার-কষ্ট চারিদিকে, কিন্তু একবার বাল্যে কিংবা কৈশোরে ডুব দিলেই নিমেষে সব উধাও। স্মৃতিরা ডানা ঝাপটাতে থাকে, কান পাতলে শুনি সেই সব শব্দ! চোখ বন্ধ করলেই দেখতে থাকি সবুজ কচি নিমপাতার ডাল, নরোম নধর গায়ে বাটা-কাঁচা-হলুদের আলতো পরশ। চোখে ভাসে সেই সব দিন - খুব সকালে যখন ভোরের আলোর আবছায়া ভাবটা কেটে যায়, কিন্তু চৈত্রের সূর্য তখনো কড়া রোদের আঁচ নিয়ে হাজির হয় না, ঠিক সেই সময় বাড়ির সব ছোটরা উঠোনে পাটি বিছিয়ে ফুলের ঝুড়ি আর সুঁই-সুতো নিয়ে পা ছড়িয়ে বসে আছে। ছোটরা উপলক্ষ্য পেলেই হত, সেটা তাদের কাছে আসতেই না আসতেই হয়ে যেত উৎসব। চৈত্র-সংক্রান্তিতে মালা গাঁথার জন্য আগের দিন সারা বাড়ি, পাড়া তন্ন তন্ন করে যোগাড় করতাম বিভিন্ন ধরনের ফুল। সেটাও আমাদের কাছে ছিল ‘ফুল-তুলনি’ উৎসব! ভোর রাতে আধো অন্ধকারে বেশ দূরের একটি বাড়িতে যেতাম ফুল তুলতে, সৌখিন বাড়িওয়ালার ছিল চমৎকার ফুল-বাগান, আমরা 

বুধবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৮

শিক্ষা জগতে একজন আদর্শ নেতার স্বরূপ


ভূমিকা

নেতা হওয়ার জন্য প্রয়োজন কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য। সবাই নেতা হতে পারে না। জীবনের সর্বক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যককে বিভিন্নভাবে নেতৃত্ব দেয়ার প্রয়োজন পরে। কিন্তু আমরা জানি সবাই এই কাজে সফল হতে পারে না। মাত্র গুটিকয়েক পারে এই ধরনের কাজে এক অনন্য ও অসাধারণ পারদর্শিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে। নেতৃত্বের এই বৈশিষ্ট্য কী জন্মগত না কি ক্রমাগত প্রচেষ্টা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত হয় তা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মতবাদ আছে। বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে নেতৃত্বের ধরন ও বৈশিষ্ট্যকে সংজ্ঞায়িত করেছেন, দিয়েছেন বিভিন্ন তত্ত্ব ও মতবাদ। কিন্তু  পৃথিবীর অধিকাংশ বড় বড় ব্যক্তিত্বের নেতৃত্বের দিকে তাকালে বুঝতে পারি তারা হয়তোবা নেতা হওয়ার জন্য জন্ম নিয়েছেন, অন্য কিছু হওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হত কিনা তা এখন বলা কঠিন। পৃথিবীতে যুগে যুগে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন নেতার আবির্ভাব হয়েছিল, তারা পৃথিবীকে দিয়েছেন অভাবিত শৌর্য, বীর্য, মেধা ও জ্ঞান। তারা পৃথিবীকে প্রগতির দিকে আরেকটু অগ্রসর করে দিয়েছিলেন, মানুষের মুক্তির  ও সম্ভবনার বীজমন্ত্র কানের ভিতর ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন।

মাধ্যমিক পর্যায়ের একজন ভালো শিক্ষকের গুণাবলী


ভূমিকাঃ

‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড’ কথাটি বহুলচর্চিত ও আপ্তবাক্য হলেও তা যে সর্বাংশে সত্য সে বিষয়ে দ্বিমত পোষণকারীর সংখ্যা নেহাতই নগন্য। আর এই শিক্ষার সাথে জড়িত বা শিক্ষা-সেবার  সাথে জড়িত বিশাল জনগোষ্ঠীর একটি হলো শিক্ষক-সমাজ। দক্ষ শিক্ষক সমাজ যে-কোনো জাতির জন্য আশির্বাদস্বরূপ। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। একজন ছাড়া অন্যজনের অস্ত্বিত্ব প্রায় অর্থহীন বলা চলে। বাংলাদেশে মাধ্যমিক পর্যায়ে  অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক। নিম্ন-মাধ্যমিক স্তরের পরের এবং উচ্চ-মাধ্যমিকের আগের স্তরটিকে মাধ্যমিক স্তর হিসেবে অভিহিত করা হয়। নবম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত এই দুই ধাপে তিন প্রকারের শিক্ষাক্রম চালু আছেঃ মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা। বর্তমানে বাংলাদেশে ৩১৬ টি সরকারি ও ১৬০০৩ টি বেসরকারি বিদ্যালয়ে প্রায় ৮৩১০৪৯৭ অধ্যয়নরত আছে। কোনো সন্দেহ নেই এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীরাই আগামীর দেশ-চালক। এদেরকে সঠিকভাবে গড়ে তোলা আর দেশ-পরিচালনার জন্য দক্ষ জনসম্পদ গড়ে তোলা সমার্থক। আর এদেরকে সার্বিক অর্থে সম্পদ হিসেবে করে তোলার জন্য চায় একদল আধুনিক, দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকগোষ্ঠী।

রবিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১৭

শুভ হোক নতুন বছর!

দেখতে দেখতে আরো একটি নতুন বছর এসে গেল। জীবন থেকে হারিয়ে গেল আরো ৩৬৫ টি দিন। প্রাপ্তির হিসাব না করে বরং দেখা যেতে পারে জীবন আমাকে যা দিয়েছে তার কতটুকু পেরেছি ফেরত দিতে। এই পৃথিবীর আলো-বাতাস গ্রহণ করে যেটুকু ঋণগ্রস্ত হয়েছি, এবং বিনিময়ে যে সে ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে না, তাই বা কম কিসে!

নতুন বছরের পরিকল্পনা অনেক। কতটুকু তার পূরণ করতে পারব বলা দুষ্কর। হয়তো ২০১৮ এর এই দিনে হাহাকার আরো কিছু কথা লিখবো। বেদনার কথা, ব্যর্থতার কথা, অপ্রাপ্তির কথা। এই দুষ্টচক্রের ভেতর আমৃত্যু ঘুরপাক খেয়ে কাটাতে হবে জীবন।


শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৬

আরো একটি নতুন বছর

কালের পরিক্রমায় আরো একটি নতুন বছরের নতুন সূর্য পৃথিবীর আকাশে উদিত হলো। যদিও এই সূর্য, তার আলো, তার এই রূপ অন্যদিনগুলোর মতই আটপৌরে তথাপি আমরা ওর মধ্যে নিয়ে আসি নতুনত্ব। জাতি ভেদে, স্থান ভেদে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে নতুন বর্ষের আগমনের ব্যাপারটি সারা পৃথিবীতে প্রচলিত; তবে গ্রেগরিয়ান ক্যালান্ডারের ইংরেজি নববর্ষই সারা পৃথিবীব্যপী উদযাপিত উৎসবে পরিণত হয়েছে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৫

হোক তবে মৃত্যু

এ- এক অদ্ভূত মৃত্যুপুরী,
চারিদিকে শ্মশানের নীরবতা,
প্রয়াতদের কিম্ভূত অট্টহাস্য; অন্তরাত্মা বিদীর্ণ করা তাচ্ছিল্যের হিমদৃষ্টি,
আয়ুষ্মানদের ভীত আর্ত চোখ,
পলায়নপরতা আর অসহায়তার রোমহর্ষক হাহাকার
বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠা আকুতি বেঁচে থাকার -
হোক জীবন শিয়াল-কুকুরের
তবু ভিক্ষা মাগে জীবনের!

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

একদিন ধরা খাওয়ার দিন.........

সেপ্টেম্বর মাসের ১১ তারিখ। ২০১৪ সাল। আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।  কাতেড্রা ইন্ডেটেক্স চেয়ার-এ স্পেনিশ ভাষার ক্লাস করতে গেলাম। সিঁড়িতে এক জুনিয়র ভাই কাম বন্ধু-র সাথে দেখা। সেও স্পেনীয় ভাষা শেখে, শেখে চীনা ভাষাও। কিছুদিন চীনা ভাষার একটা পরীক্ষা দিয়েছিলাম। সে জানালো রেজাল্ট হয়েছে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

অতঃপর পেলাম......

অবশেষে সমর্থ হলাম একটা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মালিক হ'তে। তবে যে-পরিমাণ কাঠ-খড় পোড়াতে হয়েছিল তা ভাবলে এখনো গায়ের রোম খাড়া হয়ে যায়। তবে এত কষ্ট হতো না, যদি দুই নাম্বারি করে ঘুষ দিয়ে এই লাইসেন্স নেয়ার চেষ্টা করতাম। শুরু থেকে একটা জেদ কাজ করছিল কোনো ঘুষ না দিয়ে লাইসেন্স নেব। দেখে কোন ব্যাটা আমাকে আটকায়।

যেভাবে শুরুঃ
বিদেশ যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা থেকে আমি সস্ত্রীক ড্রাইভিং শেখার চিন্তা-ভাবনা শুরু করি। পত্রিকা আর অনলাইনে ভালো একটা ড্রাইভিং স্কুলের সন্ধান করতে থাকি। ৪ টি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক বাছাইয়ে রেখে খোঁজ-খবর নেয়া শুরু করি; কোর্সের ধরন, সময়-কাল, টাকা সব বিবেচনায় রাখি।

বুধবার, ৮ জুলাই, ২০১৫

দিন যায়...

সময় ধাবমান। বয়েসের ছাপ একটু একটু করে দৃশ্যমান হচ্ছে গালের ভাজে, কপালের মধ্যে বলিরেখা এখনো স্পষ্ট না হলেও একটু মনোযোগ দিলে বুঝা যায় কৌশোর বা তারুণ্যের সেই সোনারঙ লাবণ্য অপসৃয়মান। কোমলতা ও ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে আমার দেহের ওপর লেপ্টে আজন্মের প্রিয় ত্বকও। কিন্তু কী অবস্থা মনের তারুণ্যের?


মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

প্রিয় বইয়েরা আমার

প্রিয় ১০ টি বইয়ের নাম বলা যেগুলো দ্বারা খুব প্রভাবিত আমার ব্যক্তি জীবন – বেশ কঠিন কাজই বটে। ফেবু-তে সবার তালিকা দেখে পড়তাম, ভালো লাগতো। অনেকের প্রিয় বইয়ের তালিকায় যখন আমারও ভালোলাগা বইগুলো থাকতো মনটা আরো বেশি উৎফুল্ল হতো। 

শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৪

(অ)প্রেম পত্র


সুচরিতাষু, 
ভেবেছিলাম খুব আবেগ দিয়ে অনুভূতি দিয়ে একটা প্রেমপত্র লিখবো। কিন্তু লিখতে বসে বুঝতে পারলাম কৌশোরের যে অদম্য ও তীব্র প্রেমের অনুভুতি সেটাতে অনেক পরিপক্কতা এসেছে। আগের মত আর আবগে এসে ঝাপ্টে ধরে না, বরং আসে ধীরে ধীরে। 

রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৩

বিষয়ঃ ভাষা ও বানান

ইদানিং বানানের  ব্যাপারে অনেকের উন্নাসিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। সবাই নিজের মত করে ভাষাকে বদলাতে চায়।
তাদের যুক্তি ভাষা প্রবহমান ও পরিবর্তনশীল।
সুতরাং ভাষাকে যে যে ভাবে চায় চলতে দেয়া হোক


বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৩

দুর্গাপূজা ২০১২

খুব ভারাক্রান্ত মন নিয়ে এবারের পূজার সময়টা কাটাতে হলো। গত তিন বছর  যাবত প্রবাসী হলেও প্রতি বছর এই সময়টা দেশে কাটানোর সুযোগ পেতাম। শরতের নীলাকাশ, সাদা ধবধবে কাশফুল, শিউলি ফুলের সুবাসভরা  ভোর আর  ঢাকঢোলের আওয়াজে দেবি দূর্গার পদভারে কম্পিত চারপাশ আমার মনের মধ্যে মুগ্ধতার আবেশ ছড়িয়ে দিত, ছোট বেলার দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যেত খুব।

মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৩

ডেনিস মুকওয়েগে : একজন দরদী মানুষ


নিজের হাসপাতালে মুকওয়েগে। ছবিটি উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া। 

অনেক দিন ধরে ডেনিস মুকওয়েগে-কে  নিয়ে লিখবো ভাবছিলাম। প্রথম যখন তাঁর কথা জানতে পারি বিভিন্ন সংবাদ পত্র ও কঙ্গো-র স্থানীয় কিছু রেডিও-র মাধ্যমে, আমার কৌতুহল বেড়ে যায়। সেই থেকে এই মানবতাবাদী ডাক্তার এর সম্পর্কে যে কোনো সংবাদ খুব আগ্রহ ও আন্তরিকতার সাথে পড়ার ও শোনার চেষ্টা করতাম।

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

আমার বেলা যে যায়

মাঝে মাঝে যখন খুব মন খারাপ থাকে, রুম থেকে বেরিয়ে পড়ি। কিছু কিছু বিকেলে খুব বিষণ্নতা পেয়ে বসে। রুম থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি।কালো-সাদা কাকের উড়াউড়ি দেখি। আকাশেরঅনেক উঁচুতে দেখা যায় আমার মতই দু-একটা নিঃসঙ্গ চিল। আমার কিছুই ভালো লাগে না। 

রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৩

যারা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা - ১

ওঁরা কখনোই ঠিকমত সম্মানও পায় নি। যদিও ওঁরা কখনো লালায়িত ছিল না খেতাব বা পদবী-র জন্য, লোভ ওদেরকে কখনো গ্রাস করে নি। দেশকে সত্যিকারভাবে ভালোবাসতো ব'লে জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল মাতৃভূমিকে হানাদার-মুক্ত করার জন্য। 

জঁভিয়েরঃ একজন আফ্রিকান যুবকের কথা

রুমে ফিরে মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে অবাক হলাম। অনেকগুলো মিসড কল দেখাচ্ছে। নাম্বারটা দেখে মনে পড়ল আজ জঁভিয়ের এর দেখা করতে আসার কথা ছিল।

প্রতিদিনের মত আজো রুমে মুঠোফোনটা রেখে অফিসে চলে গিয়েছিলাম।জিনিসটার প্রতি আকর্ষণ কমে যাওয়ার যথেষ্ট কারণ বিদ্যমান। এই দূরদেশে সচরাচর কারো ফোন পাওয়া বেশ বিরল ঘটনা। কালে ভদ্রে দেশ থেকে দুই একটা কল যে পাই না তা নয়, কিন্তু কখন সেই রিং টোন বাজবে আর তার আশায় সারাদিনমান এই মূর্তিমান সমস্যাটাকে পকেটে বহন করার কোনো মানে হয় না।

আমার চোখে ভেসে উঠলো বিষণ্ন এক যুবকের ছবি। জীবন সংগ্রামের ক্লান্তি আর বেদনা যাকে নিঃশেষ করে দিতে চাচ্ছে।