আলোকচিত্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আলোকচিত্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৫

কঙ্গো-কে যেমন দেখেছি-১

চারিদিকে সবুজ। নিষ্কলুষ প্রকৃতি। দূষণের কোনো বালাই নেই। আফ্রিকার গ্রামগুলোর ভেতর দিয়ে হাঁটতে থাকলে মনে হবে এটা আমাদের চিরচেনা পৃথিবী থেকে কিছুটা ব্যতিক্রম। মহাবিশ্বের অন্য কোনো গ্রহে ভুলে চ'লে এসেছি ব'লেও মনে হতে পারি। মানুষজন গরীব, ভারি গরীব। ছোট্ট ছোট্ট কুঁড়েঘরে ৭/৮ জন সদস্যের পরিবার অবলীলায় বসবাস করে যায় বছরের পর বছর। একই জায়গায় খায়, ঘুমায়, সন্তানাদি উৎপাদন করে ফি বছর! এ-এক অদ্ভূত সহজ-সরল-আদিম জীবন।

সাধারণ মানুষের মধ্যে অপরাধ-প্রবণতা তুলনামূলক কম। কেউ অন্যায় করলে গ্রাম্য-মাতব্বর বা গ্রাম-প্রধানের শাস্তি অবলীলায় মেনে নেয়। সেটা হতে পারে ৩০ দিনের জেল কিংবা ৬০ দিনের। কিন্তু জেলখানা দেখে আমার হাসি পায়। আমি শহরের কথা বলছি না, বলছি গণ্ডগ্রামগুলোর কথা, আফ্রিকাকে দেখতে হলে বুঝতে হলে এই গ্রামগুলো, মানুষগুলো-কে অবশ্যই গুনতে হবে। পরিত্যক্ত একটি পুরনো বাড়ীতে যেটি কলোনিয়াল যুগের কোনো আবাসস্থল ছিল, এখন বসবাসের খুব একটা উপযোগী নেই, সেই রকম একটি একতলা পুরনো বিল্ডিং-কে তারা জেল-খানা বানিয়েছে। কোনো পাইক-পেয়াদা নেই, নিরাপত্তা রক্ষী নেই। যাকে শাস্তি দেয়া হবে সে সেখানে নিঃসঙ্গভাবে সময় কাটাবে, শাস্তির মেয়াদ পূরণ হলে আবার স্বাভাবিক জীবন-যাপন শুরু করবে। এখানে থেকে সে বেরুতে পারবে না, কোথাও যেতে পারবে না। সময় মত খাবার দিয়ে যাবে পরিবারের সদস্যরা।

রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০১৫

গণচীনের নতুন প্রজন্ম

নি চিয়াও শান মা মিংজ? (কী নাম তোমার ?) দিয়ে শুরু করতাম আমাদের আলাপচারিতা। চীনের শিশু-কিশোররা একটু লাজুক হলেও ভিনদেশি কাউকে দেখে দূরে সরে যেত না। ইংরেজি ভাষা জানা থাকলে তারা বরং আগ্রহ নিয়ে কথা বলতে চাইত। যারা ইংরেজি জানতো না তাদের সাথে আমি চীনাভাষা দিয়ে শুরু করলেও আমাদের কথোপকথন বেশি দূর আগাতো না, কারণ আমার চীনা ভাষার জ্ঞান খুব যৎসামান্য এবং যেটুকু ছিল সেটুকুর উচ্চারণও ওদের কাছে একটু কম বোধগম্য হতো। ফলে দু-চার মিনিটের মধ্যে দু-জনেই ক্লান্ত হয়ে 'জাই জিয়েন' (বিদায়) ব'লে কেটে পড়তাম! তবে ইংরেজি জানাদের সাথে এক-আধটু ভাব হয়ে যেত। তাদের সাথে আরো অনেকক্ষণ বাৎচিত করা যেত। তারা অনেক কিছু শেয়ার করত। জানতে চাইতো অনেক কিছু। একটা উৎসুক্য কাজ করত সবসময় ওদের মধ্যে। দেখে ভারী ভালো লাগতো আমার।

ঘেন্ট এর পথে পথে

 ঘেন্ট বেলজিয়াম এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। ইস্ট ফ্লান্ডার্স প্রদেশ-এর রাজধানী ও এবং অন্যতম বৃহৎ শহর হিসেবে সমধিক পরিচিত। শহরটির খ্যাতির আরো একটি কারণ হলো এর বন্দর এবং বিখ্যাত ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। মধ্যযুগে উত্তর ইউরোপের অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও প্রভাবশালী শহর হিসেবে এর খ্যাতি ছিল।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৫

প্রতিমাশিল্পঃ প্রেক্ষিত দুর্গাপূজা ২০১৫

দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব। প্রতিবছর হিন্দুরা অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে এই উৎসব পালন করেন। বাংলাদেশে এইবারের পূজার স্লোগান ছিল, 'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।' তবে প্রতিবছরের মত এবারও বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা ভাঙার মত ন্যাক্কারজনক কুকর্মের পূনরাবৃত্তি হয়। যদিও বিভিন্ন মন্দিরে উৎসবের কোনো ঘাটতি চোখে পড়ে নি। শেষ দিন পর্যন্ত ছিল পূজোয় অসংখ্য দর্শনার্থী। হিন্দু ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পুজোর উৎসবে সামিল হয়েছেন সোৎসাহে। কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াও সারাদেশে পুজো উদযাপিত হয়। যথাযথ নিরাপত্তা প্রদানে সাফল্যের জন্য প্রশাসন ও সরকার সকলের কাছে সবিশেষ প্রশংসা অর্জন করেন।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৫

মহাসুখ মন্দির বা স্বর্ণ-মন্দির

 বান্দরবানের সবুজ পাহাড়-অরণ্যের সৌন্দর্যে যখন আমরা আপ্লুত ও মুগ্ধ আমাদেরকে আরো মুগ্ধ করে দিয়ে চোখের সামনে অপূর্ব স্বর্ণকান্তি রূপ নিয়ে হাজির হলো 'মহাসুখ' বা 'বৌদ্ধ ধাতু জাদি মন্দির'। বান্দরবান সদর থেকে আনুমানিক তিন কিলোমিটার পশ্চিমে বালাঘাট-এর একটা ছোট পাহাড় চুড়ায় এর অবস্থান। চারপাশে সবুজের সমারোহ,  তার মাঝে এই সোনালী মন্দির এক অদ্ভূত আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল।আমরা যখন ট্যাক্সি থেকে নামলাম, উঁচু-তে তাকিয়ে দেখছিলাম সেই সোনালী আভার বিচ্ছুরণ। 
মায়ানমারের জনৈক শিল্পীর ডিজাইনে এই মন্দিরের সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয় ২০০৪ সালে। শুধু স্থাপত্য নির্মাণ শৈলী নয়, বিভিন্ন রকমের বৌদ্ধ মূর্তি, জাতক কাহিনী বর্ণনার জন্য বিভিন্ন ধরনের নির্মান-শৈলী ও ভাস্কর্য ব্যবহৃত হয়েছে- তা যে-কোনো শিল্প-রসিক-কে ভালো লাগায় প্লাবিত করবে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি


আফ্রিকা-বাসের বিশেষ করে কঙ্গো-বাসের সময় সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছিল যে জিনিসটি সেটা হলো সেখানকার আবহাওয়া। এত অসাধারণ ভালো-লাগার প্রাকৃতিক পরিবেশ খুব বেশি জায়গায় মিলবে না। চীনের কুনমিং এ-ধরনের পরিবেশ পেয়েছিলাম, এ-শহরটিকে চির বসন্তের শহর নামে আখ্যায়িত করা হয়। বুনিয়া বা ইতুরি কিংবা আরো ব্যাপকভাবে বললে ওরিয়েন্টাল প্রদেশ-কে চির-বসন্তের নামে আখ্যায়িত করার তথ্য কোথাও পায় নি। যদিও আবহাওয়া তথাকথিত চিরবসন্তের স্থানগুলোর চেয়ে কোনোভাবেই অশ্রেয়তর বলা যাবে না। 
বই-পুস্তকে ঐ অঞ্চলের জলবায়ু বা আবহাওয়া সম্পর্কে কী বলা হয়েছে, সে-সব তথ্য ঘাটার সুযোগ হয় নি, কিংবা তেমন দরকারও বোধ করি নি। টানা তিন বছর এক এলাকায় বাস করার কারণে সেখানকার আবহাওয়া জানার জন্য বইয়ের তথ্যের খুব দরকার আছে বলে মনে হয় নি। তবে জলবায়ুর যে বৈশ্বিক পরিবর্তন প্রতিনয়ত পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাতে আমার দেয়া তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা হয়তো বেশিদিন স্থায়ী নাও হতে পারে। কাজেই রেফারেন্স হিসেবে বিবেচনা করতে চাইলে আমার বলা কথাগুলোকে ‘২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যকার সময়ে ইতুরি অঞ্চলের আবহাওয়াঃ একজন প্রত্যক্ষদর্শী-র বিবরণ’ হিসেবে সাব্যস্ত করলে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবো।

রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৫

প্যারিসের পথে পথে

প্রথম প্যারিসের ভ্রমণের স্মৃতি যখন মনে পড়ে এক অন্যরকম ভালোলাগায় মন যেমন ছেঁয়ে যায়, তেমনি এক অতৃপ্তি ও অপূর্ণতার হাহাকার ভরা দীর্ঘশ্বাস মনের অজান্তেই বেড়িয়ে পড়ে। এক অদ্ভূত অস্থিরতা কাজ করছিল প্যারিস ভ্রমণের প্রাক্কালে। অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল প্যারিস ঘুরতে যাবো। শিল্পের নগরী, সৌন্দর্যের নগরী প্যারিস-এ আসাটা ভেবেছিলাম স্বপ্নেই থেকে যাবে। সেই স্বপ্ন যখন বাস্তবে পরিণত হয়েছিল একটু অবিশ্বাস্য লেগেছিল বৈকি! একটা অস্থিরতা কাজ করছিল নিজের মধ্যে। কী করবো দিশে পাচ্ছিলাম না। চারপাশ দেখছি, ঘুরে বেড়াচ্ছি, কিন্তু  কিছুই যেন দেখছি না! এ- এক অদ্ভূত অনুভূতি! আমি নিজের মধ্যেই ছিলাম না কয়েকটা দিন। কোনো প্ল্যান করতে পারছিলাম না ঠাণ্ডা মাথায়। ছবি তুলছি, দেখছি, সুযোগ পেলে কথা বলছি মানুষজনের সাথে, শিশুর মত কৌতুহল নিয়ে দেখছি চারপাশ, সবই স্বাভাবিক, কিন্তু আমি জানি এরপরেও আমার মধ্যে কাজ করছিল একটু অন্যরকম অস্বাভাবিকতা, যেটা আমি জানি কারো কারো  মধ্যে এই অদ্ভূত আবেগ কাজ করতেই পারে, হতে পারে সেটা প্রথম প্রেমের বেলায়, কিংবা অবিশ্বাস্য কিছু যখন ঘটে, অপ্রাপনীয় কিছু যখন পেয়েে যায়, এই বিহ্বলতা থেকে সহজে মুক্তি মেলে না অনেকের। অসাধারণ, কিংবা বহু আরাধ্য কিছু পেয়ে গেলে আমাদের বাহ্যজ্ঞান কিছুটা ভ্যাবাচ্যাকা খেতেই পারে! আর আমি সেই রকম কিছু থেকে বাদ যাবো, সেটা কিছুটা অলীক হতেই পারে!

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৫

তুরস্কের কার্পেট-শিল্প

সাতদিনের একটা প্যাকেজ-ট্যুর নিয়ে কাপাডোকিয়া গিয়েছিলাম।ইস্তানবুল থেকে প্রায় ৭/৮ ঘন্টার বাস জার্নি। বাস ভ্রমণটা ভালোই হয়েছিল। তুরস্কের রাস্তাঘাট ভালো। উন্নতমানের বাস আছে। কাপাডোকিয়ায় যখন পৌঁছলাম তখন সকাল। অদ্ভুত ভালোলাগায় মন আচ্ছন্ন। মন বলছে একটা চমৎকার ভ্রমণ আমার অপেক্ষায় আছে।

ভ্রমণটা বেশ মনে রাখার মত হয়েছিল। অনেকগুলো জায়গা ঘুরে দেখেছিলাম। ভ্রমণ কোম্পানিটি বেশ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। আমাদের গাইড-টিও ছিলেন বেশ ভালো। কাছাকাছি জায়গায় আমরা বেশকিছু প্রাচীন নিদর্শন ঘুরে দেখি।

শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০১৫

পাহাড় আমায় হাতছানি দিয়ে ডাকে

হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত। দেশে টানা কয়েকমাসের অবরোধ চলছিল। আন্ত-জেলা যোগাযোগ-ব্যবস্থা কার্যত অচল। আমি আফ্রিকা থেকে দেশে এসে গৃহবন্দি। তথাপি এই দুর্যোগের মধ্যে কীভাবে যেন বিয়েটা করে ফেললাম! এইবার তো ডাবল বন্দী! মন আঁকুপাঁকু করছিল। কোথাও থেকে ঘুরে আসি।
অবশেষে বিএনপি-জামাতের অবরোধ শিথিল হলো কী একটা কারণে যেন। ভাবলাম এই সুযোগ। বেরিয়ে পড়া যাক। যেই ভাবা সেই কাজ। অনেক ভেবচিন্তে দেখলাম এই মুহুর্তে ভ্রমণের জন্য বান্দরবান হতে পারে আদর্শ জায়গা। বউকে আধাঘন্টা সময় দিলাম, জানি দু-ঘন্টা লাগাবে। কিন্তু এক ঘণ্টা সময় দিলে তো চার ঘণ্টা লাগাতো!

রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৫

ছবিব্লগঃ নতরদাম ক্যাথেদ্রাল, প্যারিস, ফ্রান্স



ছবিব্লগঃ ইস্তানবুলের পথে পথে

 

ছবিব্লগঃ ল্যুভর মিউজিয়ামে একদিন


মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০১৫

কলকাতা ২০১৫

অনেকদিনের পরিকল্পনা ভারত যাবো। কিন্তু ইউরোপ, আফ্রিকা ঘুরা হয়ে গেল ভারত আর যাওয়া হয়ে ওঠে না। প্রথমবার ভিসার জন্য এপ্লাই করে ভিসাই পাই নি। মেজাজ গেল বিগড়ে। যাইহোক চার মাস পর সব কাগজপত্র প্রস্তুত করলাম, দালালকে ৩০০০ হাজার টাকা দিয়ে এপয়েন্টমেন্ট নিলাম এবং অবশেষে ভিসা পেলাম।

বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৩

দুর্গাপূজা ২০১২

খুব ভারাক্রান্ত মন নিয়ে এবারের পূজার সময়টা কাটাতে হলো। গত তিন বছর  যাবত প্রবাসী হলেও প্রতি বছর এই সময়টা দেশে কাটানোর সুযোগ পেতাম। শরতের নীলাকাশ, সাদা ধবধবে কাশফুল, শিউলি ফুলের সুবাসভরা  ভোর আর  ঢাকঢোলের আওয়াজে দেবি দূর্গার পদভারে কম্পিত চারপাশ আমার মনের মধ্যে মুগ্ধতার আবেশ ছড়িয়ে দিত, ছোট বেলার দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যেত খুব।

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

আমার বেলা যে যায়

মাঝে মাঝে যখন খুব মন খারাপ থাকে, রুম থেকে বেরিয়ে পড়ি। কিছু কিছু বিকেলে খুব বিষণ্নতা পেয়ে বসে। রুম থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি।কালো-সাদা কাকের উড়াউড়ি দেখি। আকাশেরঅনেক উঁচুতে দেখা যায় আমার মতই দু-একটা নিঃসঙ্গ চিল। আমার কিছুই ভালো লাগে না। 

বুধবার, ২০ মার্চ, ২০১৩

আমাদের গেছে যে দিন ( ক্যাম্পাস পর্ব)

অনেকদিন পর গেলাম প্রিয় ক্যাম্পাসে। প্রায় ১ বছর পর আফ্রিকা আর ইউরোপ ঘুরে নিজের দেশে পা দিলাম। প্রিয় এক বন্ধুকে নিয়ে রওনা দিলাম ক্যাম্পাসের পথে। বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেছি প্রায় বছর চারেক হলো। বছর তিনেক আগে একবার গিয়েছিলাম সার্টিফিকেট তুলতে। অনেক দিন পর আবার খুঁজতে গেলাম পুরনো সেই দিনগুলোকে। দিনটি ছিল ১৬ অক্টোবর ২০১২।

সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১২

কঙ্গোঃ আফ্রিকার হৃদয়















ক)
ছবিটি কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চল ইতুরি জেলার রুয়ালি গ্রাম, বুকিরিঙ্গি  থেকে তোলা। একটি দূর্দশাগ্রস্থ গ্রামের এক হতদরিদ্র পরিবারের শিশুরা।  জন্মের পর থেকে  অভাব, দুঃখ আর মৃত্যু তাদেরকে তাড়া করে ফিরছে। পেছনে তাদের কুঁড়েঘর, দরজার পাশে তাদের মা বসে আছেন, বৈকালিক অবসরে।