রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৩

জঁভিয়েরঃ একজন আফ্রিকান যুবকের কথা

রুমে ফিরে মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে অবাক হলাম। অনেকগুলো মিসড কল দেখাচ্ছে। নাম্বারটা দেখে মনে পড়ল আজ জঁভিয়ের এর দেখা করতে আসার কথা ছিল।

প্রতিদিনের মত আজো রুমে মুঠোফোনটা রেখে অফিসে চলে গিয়েছিলাম।জিনিসটার প্রতি আকর্ষণ কমে যাওয়ার যথেষ্ট কারণ বিদ্যমান। এই দূরদেশে সচরাচর কারো ফোন পাওয়া বেশ বিরল ঘটনা। কালে ভদ্রে দেশ থেকে দুই একটা কল যে পাই না তা নয়, কিন্তু কখন সেই রিং টোন বাজবে আর তার আশায় সারাদিনমান এই মূর্তিমান সমস্যাটাকে পকেটে বহন করার কোনো মানে হয় না।

আমার চোখে ভেসে উঠলো বিষণ্ন এক যুবকের ছবি। জীবন সংগ্রামের ক্লান্তি আর বেদনা যাকে নিঃশেষ করে দিতে চাচ্ছে।



কিছু অসংলগ্ন প্রলাপ

জীবন নিয়ে ইদানিং আর কিছু ভাবতে পারি না। কেমন জানি নিয়তিবাদী হয়ে যাচ্ছি। অদৃষ্টকে পরিহাস করার ঔদ্ধত্য দেখাতে পারি না।
নিজেকে প্রবোধ দেই বেঁচে আছি এটাই আনন্দের।
যদিও মাঝে মাঝে মনে হয় কী হাস্যকর এই বেঁচে থাকা!

সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১২

কঙ্গোঃ আফ্রিকার হৃদয়















ক)
ছবিটি কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চল ইতুরি জেলার রুয়ালি গ্রাম, বুকিরিঙ্গি  থেকে তোলা। একটি দূর্দশাগ্রস্থ গ্রামের এক হতদরিদ্র পরিবারের শিশুরা।  জন্মের পর থেকে  অভাব, দুঃখ আর মৃত্যু তাদেরকে তাড়া করে ফিরছে। পেছনে তাদের কুঁড়েঘর, দরজার পাশে তাদের মা বসে আছেন, বৈকালিক অবসরে।


পরাবাস্তবতাবাদ ও সালভাদর দালি

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পরাবাস্তবতাবাদ ঘরানার শিল্প-আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। সমাজের অবক্ষয়, যুদ্ধ, হানাহানি, সন্ত্রাসের দমবন্ধ করা পরিবেশ মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে আর স্বাভাবিক থাকতে দিচ্ছিল না। সেইসময় সৃষ্টিশীল ও সংবেদনশীল মানুষের ক্ষোভ ও যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ শিল্প-কলার মাধ্যমে বিচিত্রভাবে প্রকাশিত হতে থাকে। এটার সূচনাকালকে মোটাদাগে চিহ্নিত করতে হলে মূলত বিশ শতকের শুরুর দিকে নজর ফেলতে হবে। চিত্রকলা, ভাস্কর্য, সাহিত্য, চলচ্চিত্র, দর্শন, রাজনৈতিক ও সামাজিক চিন্তাভাবনা সবকিছুতেই এই শিল্পান্দোলনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।