বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০

চুলের সৌন্দর্য্য

আফ্রিকার নারীদের চুলের নজরকাড়া সৌন্দর্য আমাকে আকৃষ্ট করতো বেশ। কুচকানো চুল হওয়ার কারণে পৃথিবীর অন্যদেশের নারীরা চুলের রক্ষণাবেক্ষনে যে রকম সুবিধা পেত সেটা এই অঞ্চলের নারীদের জন্য একটু ঝামেলাপূর্ণ ছিল। যার দরুণ অনেক নারী চুল ফেলে দিয়ে পরচুলা পড়ার মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্য ও সৌন্দর্য্য খুঁজে নিত। এশিয়ান নারীদের কালো ঘন লম্বা চুলের প্রতি তাদের একধরণের আকর্ষণ কাজ করে বলে মনে হয়েছে, কেননা কয়েকজন আফ্রিকীয় নারী কথা প্রসঙ্গে এই অভিমত জানিয়েছিল। যাইহোক তাদের অন্যরকম কুচকানো ঘন চুলকে তারা অনেকেই বিসর্জন না দিয়ে বরং সেগুলোকে শৈল্পিকভাবে উপস্থাপনে সবিশেষ পারদর্শিতা প্রদর্শন করে আসছে। আজকের প্রসঙ্গ সেই আফ্রিকীয় নারীর বিশেষ কারুকার্ষমণ্ডিত কুন্তল তথা চুল প্রসঙ্গে। 

চুলকে আকর্ষণীয় করার জন্য আফ্রিকার  ......

সোমবার, ২২ জুন, ২০২০

আঁকিবুঁকি ২

বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলাম তখন। কী একটা বিশেষ কাজে আন্দরকিল্লা এসেছি। আকাশে গনগনে সূর্য। তপ্ত দুপুর। আন্দরকিল্লা মোড়টা ধ’রে চেরাগির দিকে আসছিলাম বোধহয়। রোদের আঁচে আমার মুখ কিছুটা লালচে আকার ধারণ করেছে। ঘামে ভেজা শার্ট আর গেঞ্জি শরীর জুড়ে লেপ্টে আছে। সেই রকম এক দুপুরে অস্থির আমি আন্দরকিল্লার কোনো একটি দোকানে ঢুকে আর্ট-খাতা কিনি একটা; সাথে জলরঙের একটা বক্স আর এক ডজন প্যাস্টেল রঙ। ইজেল-টিজেল কেনার টাকা ছিল না, ঝামেলাও নিতে চাই নি। মোটা আর্ট-পেপারে বাঁধানো একটা খাতা। ভাবলাম এটা হোক আমার ছবি আঁকার খাতা। ব্যাগের মধ্যে রাখা যাবে, আর যখনি মন চাইবে আঁকিবুকিতে সাদা পাতাগুলোকে রঙিন করে দেব।

সেই খাতাটি আজো রয়ে গেছে কালের সাক্ষী হয়ে। খাতার পৃষ্টাগুলো মেলে ধরলে সেগুলো প্রজাপতি হয়ে আমার চারপাশে উড়তে থাকে। লাল-নীল-সাদা-কালো-সবুজ-হলুদের কত শত বিচিত্র রঙের প্রজাপতি। প্রজাপতিরা ওড়ে আর অদ্ভুত বিচিত্র সব কারণে আমার মনটা হারিয়ে যায় দূর অতীতে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২০

আনিসুজ্জামানঃ কীর্তিমানের মৃত্যু নেই


আনিসুজ্জামান মুক্তচিন্তা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ ছিলেন। বাংলাদেশে এই ধরনের মানুষকে অপছন্দ করে এরূপ মানুষের সংখ্যা কম নয়। তদুপরি, আওয়ামী ঘরানার বুদ্ধিজীবী হিসেবে তাকে অশ্রদ্ধা করবে – এটাও অপ্রত্যাশিত ছিল না। এ-ধরনের কোনো একজন মানুষকে সবাই ভালোবাসবে আমি এটা আশাও করি না। আনিসুজ্জামান প্রগতির কথা বলতেন। আর প্রগতি থেকে পিছনের দিকে যেতে চাওয়া, প্রতিক্রিয়াশীলতাকে ভালোবাসে এই ধরনের মানুষের সংখ্যা তো দিন দিন বাড়ছে।

মায়ের গল্প


মায়ের হাসিমাখা উচ্ছল মুখ খুব বেশি মনে পড়ে না। মায়ের আনন্দের, উৎসবের উপলক্ষ্য হত খুবই সীমিত। কিংবা উৎসব আনন্দে মায়েরা হয়ে যেত কর্মী, অন্যদের আরামকে শতভাগ নিশ্চিত করার মধ্যেই তারা সুখ বা আনন্দ খুঁজে নিত বা নিতে হত! শুধু বাপের বাড়ি যাওয়ার সময় আমার মা কিশোরী হয়ে যেতেন, বালিকা-উচ্ছলতা মাকে পেয়ে বসত। মার সেই সুখী সুখী মুখ আমি কখনো ভুলবো না। দু-তিন মাইলের গ্রামীণ মেঠো রাস্তা পায়ে ডিঙিয়ে যখন বাপের বাড়ির দরোজায় পৌঁছতেন, মায়ের সেই হাসিমুখ আরো দ্বিগুণ প্রসারিত হত। কোলে এক সন্তান, আর অন্য হাতে আরেক সন্তানকে ধরে রেখে দীর্ঘপথ হাঁটার পরেও মাকে ক্লান্তি বিশেষ স্পর্শ করত না। মা যখন তার বাবার বাড়ি এসে পৌঁছতেন, মনে হত স্বর্গের সদর দরজায় পা রেখেছেন। কিংবা কে জানে, স্বর্গের দ্বারেও মা এত সুখী ও আনন্দিত হতেন কি না! এখনও বাপের বাড়ির কথা শুনলে মা-র চোখ-মুখ খুশিতে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। মা-র বাবা-মা তো বটে, ভাইরাও কেউ এই ধরাধামে নেই এখন। কিন্তু