রবিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২১

প্রিয় জীবনানন্দ ও কিছু বিচ্ছিন্ন ভাবনা

''অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে
চেয়ে দেখি ছাতার মতন বড়ো পাতাটির নিচে ব’সে আছে
ভোরের দোয়েল পাখি– চারিদিকে চেয়ে দেখি পল্লবের স্তুপ
জাম-বট-কাঁঠালের-হিজলের-অশ্বত্থেরা ক’রে আছে চুপ;
ফণীমনসার ঝোপে শটিবনে তাহাদের ছায়া পড়িয়াছে;

মধুকর ডিঙা থেকে না জানি সে কবে চাঁদ চম্পার কাছে
এমনই হিজল-বট-তমালের নীল ছায়া বাংলার অপরূপ রূপ দেখেছিলো;''

জীবনানন্দের কবিতা ইদানিং স্বপ্নে জাগরণে হানা দেয়। বিশেষ করে ‘রূপসী বাংলা’র কবিতাগুলো। এগুলো এমনিতেই ভীষণ প্রিয় ছিল, এখনো ভালোলাগার ভালোবাসার কবিতার তালিকা এগুলোর নাম ওপরের দিকে থাকবে। বাংলা কবিতার দুই দিকপাল রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দ আজো মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। কত কবিতাই তো পড়া হয়, ভালো লাগে, কিন্তু সবসময়ের সঙ্গী হয়ে থাকে দু’জন। রবীন্দ্রনাথের গীতবিতানকেও আমি কবিতার মতই পড়ি। প্রেম, প্রকৃতি, ঈশ্বরচেতনা ছাড়াও আধুনিকতা, রোমান্টিসিজম, নিহিলিজম, পরাবাস্তবতা সবকিছুর সংশ্লেষ এই দুই কবির কবিতায় কী চমৎকারভাবে উৎকীর্ণ! কবিতার মধ্যে বুঁদ হয়ে থাকার মধ্যে আছে এক ধরনের অনিঃশেষ ও অনির্বচনীয় সুখ। আর সেটাকে উপলব্ধির মধ্যে হয়তো পাওয়া হয়ে যায় অমৃতের স্বাদ। কবিতা তো ভাষা, কল্পনা, বাস্তবতা, পরাবাস্তবতা ইত্যাদির অদ্ভূত মিশেল। ভাষার সাথে আছে রূপক, উপমা, উৎপ্রেক্ষা, চিত্রকল্প, অনুপ্রাস ছাড়াও বহুবিধ অলঙ্কার। চিন্তা, কল্পনা ও বোধির জগতে আলোড়ন তোলার এই যে অপূর্ব প্রচেষ্টা তার সাথে আর কিসের তুলনা চলে!

 

মে ২০২০, করোনাক্রান্তিকাল

বনশ্রী, ঢাকা

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০

ফেলে আসা বাড়ি - কে হায় হৃদয় খুঁড়ে - ১


জনৈক দাদাকে

প্রিয় দাদা,

প্রণাম ও শুভেচ্ছা জানবেন। ফেইসবুকে আপনার একটি মন্তব্যের আলোকে এই লেখা। ভুল-ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ আছে, এবং আপনার প্রত্যুত্তর আমাকে অনেক উৎসাহ যোগাবে।  

আপনি একসময় বেশ লেখালেখি করতেন।  আমার অনুরোধ আবার শুরু করুন, আমাদের বাড়ি, আমাদের অতীত-ইতিহাস, আমাদের অতীতের এবং বর্তমানের যাপিত জীবন -  এগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। আজ সারা পৃথিবীতে আমরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি, আমাদের কথা আমরা না বললে, আমাদের পূর্ব-পুরুষেরা এবং আমরা নিজেরাই ইতিহাসের পাতা থেকে একদিন বিলীন হয়ে যাবো। নতুন প্রজন্ম কোনো দিশা খুঁজে পাবে না। সবার সম্মিলিত স্মৃতির মাধ্যমে আমরা আমাদের অতীত ইতিহাসকে ভাবীকালের জন্য রেখে যেতে পারবো।

ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা!!

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০

চুলের সৌন্দর্য্য

আফ্রিকার নারীদের চুলের নজরকাড়া সৌন্দর্য আমাকে আকৃষ্ট করতো বেশ। কুচকানো চুল হওয়ার কারণে পৃথিবীর অন্যদেশের নারীরা চুলের রক্ষণাবেক্ষনে যে রকম সুবিধা পেত সেটা এই অঞ্চলের নারীদের জন্য একটু ঝামেলাপূর্ণ ছিল। যার দরুণ অনেক নারী চুল ফেলে দিয়ে পরচুলা পড়ার মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্য ও সৌন্দর্য্য খুঁজে নিত। এশিয়ান নারীদের কালো ঘন লম্বা চুলের প্রতি তাদের একধরণের আকর্ষণ কাজ করে বলে মনে হয়েছে, কেননা কয়েকজন আফ্রিকীয় নারী কথা প্রসঙ্গে এই অভিমত জানিয়েছিল। যাইহোক তাদের অন্যরকম কুচকানো ঘন চুলকে তারা অনেকেই বিসর্জন না দিয়ে বরং সেগুলোকে শৈল্পিকভাবে উপস্থাপনে সবিশেষ পারদর্শিতা প্রদর্শন করে আসছে। আজকের প্রসঙ্গ সেই আফ্রিকীয় নারীর বিশেষ কারুকার্ষমণ্ডিত কুন্তল তথা চুল প্রসঙ্গে। 

চুলকে আকর্ষণীয় করার জন্য আফ্রিকার  ......