বুধবার, ২০ মার্চ, ২০১৩

আমাদের গেছে যে দিন ( ক্যাম্পাস পর্ব)

অনেকদিন পর গেলাম প্রিয় ক্যাম্পাসে। প্রায় ১ বছর পর আফ্রিকা আর ইউরোপ ঘুরে নিজের দেশে পা দিলাম। প্রিয় এক বন্ধুকে নিয়ে রওনা দিলাম ক্যাম্পাসের পথে। বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেছি প্রায় বছর চারেক হলো। বছর তিনেক আগে একবার গিয়েছিলাম সার্টিফিকেট তুলতে। অনেক দিন পর আবার খুঁজতে গেলাম পুরনো সেই দিনগুলোকে। দিনটি ছিল ১৬ অক্টোবর ২০১২।

রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৩

যারা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা - ১

ওঁরা কখনোই ঠিকমত সম্মানও পায় নি। যদিও ওঁরা কখনো লালায়িত ছিল না খেতাব বা পদবী-র জন্য, লোভ ওদেরকে কখনো গ্রাস করে নি। দেশকে সত্যিকারভাবে ভালোবাসতো ব'লে জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল মাতৃভূমিকে হানাদার-মুক্ত করার জন্য। 

জঁভিয়েরঃ একজন আফ্রিকান যুবকের কথা

রুমে ফিরে মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে অবাক হলাম। অনেকগুলো মিসড কল দেখাচ্ছে। নাম্বারটা দেখে মনে পড়ল আজ জঁভিয়ের এর দেখা করতে আসার কথা ছিল।

প্রতিদিনের মত আজো রুমে মুঠোফোনটা রেখে অফিসে চলে গিয়েছিলাম।জিনিসটার প্রতি আকর্ষণ কমে যাওয়ার যথেষ্ট কারণ বিদ্যমান। এই দূরদেশে সচরাচর কারো ফোন পাওয়া বেশ বিরল ঘটনা। কালে ভদ্রে দেশ থেকে দুই একটা কল যে পাই না তা নয়, কিন্তু কখন সেই রিং টোন বাজবে আর তার আশায় সারাদিনমান এই মূর্তিমান সমস্যাটাকে পকেটে বহন করার কোনো মানে হয় না।

আমার চোখে ভেসে উঠলো বিষণ্ন এক যুবকের ছবি। জীবন সংগ্রামের ক্লান্তি আর বেদনা যাকে নিঃশেষ করে দিতে চাচ্ছে।



কিছু অসংলগ্ন প্রলাপ

জীবন নিয়ে ইদানিং আর কিছু ভাবতে পারি না। কেমন জানি নিয়তিবাদী হয়ে যাচ্ছি। অদৃষ্টকে পরিহাস করার ঔদ্ধত্য দেখাতে পারি না।
নিজেকে প্রবোধ দেই বেঁচে আছি এটাই আনন্দের।
যদিও মাঝে মাঝে মনে হয় কী হাস্যকর এই বেঁচে থাকা!