সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১১
বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১
জিন/ পরী বিষয়ক ক্যাচাল
আজকের রাতটা একটু ব্যাতিক্রম রাত হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে আমার কাছে। অন্য রাতগুলোতে সাধারণত এই সময়ে আমি ভোস ভোস করে নাক ডেকে ঘুমায়।আমি যে নাক ডাকি সেটা আমার টের পাওয়ার কথা না, কিন্তু আমার পার্শ্ববর্তী রুমের সম্মানিত প্রতিবেশির প্রাত্যহিক অভিযোগ এই বিষয়টিকে ভোলার কোনো অবকাশই দেয় না।
শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১
রোজনামচা-১
এখন রাত দুইটা। ঘুমানোর চেষ্টা করছি। হয়তো আরো অনেকক্ষণ ধরে কসরত করতে হবে নিদ্রাদেবীর কৃপাদৃষ্টি পেতে।
আগামীকাল সকালে তেমন কোনো কাজ নেই বললে চলে। হয়তো দূরে কোথাও যেতে হবে না প্রতিদিনের মতো। ব্যাপারটা এমন না যে আমি দূরে কোথাও যেতে পছন্দ করি না; বরং উলটো। আমার ভীষণ ভালো লাগে কঙ্গোর আকাঁবাঁকা পথে অনেক দূর পাড়ি দিতে। এখানে রাস্তা বিপদজনক দুটি কারণেঃ এক. মেরামতের অভাবে রাস্তাগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক, দুই, কিছু বিশেষ এলাকার রাস্তাঘাটে প্রায়ই মিলিশিয়াদের আক্রমণের সম্ভবনা থাকে।
আগামীকাল সকালে তেমন কোনো কাজ নেই বললে চলে। হয়তো দূরে কোথাও যেতে হবে না প্রতিদিনের মতো। ব্যাপারটা এমন না যে আমি দূরে কোথাও যেতে পছন্দ করি না; বরং উলটো। আমার ভীষণ ভালো লাগে কঙ্গোর আকাঁবাঁকা পথে অনেক দূর পাড়ি দিতে। এখানে রাস্তা বিপদজনক দুটি কারণেঃ এক. মেরামতের অভাবে রাস্তাগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক, দুই, কিছু বিশেষ এলাকার রাস্তাঘাটে প্রায়ই মিলিশিয়াদের আক্রমণের সম্ভবনা থাকে।
মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০১১
পরবাসী মন
আর কিছুক্ষণ পরে মেঘের অতলে হারিয়ে যাবে এই ঘুমকাতুরে চাঁদ। চারপাশের অফুরন্ত আঁধার এসে হামলে পড়বে আমার এই নিস্তব্দ নিরালা নীড়ে। যে কয়েক টুকরো চাঁদের আলো জানালার ফাঁক গলে আমার শরীরে এঁকে দিয়েছিল এক অপূর্ব ও অস্থির শিল্পকলা তা অন্ধকারের কালো রঙে মুছে যাবে।
কিছু ইতস্তত ভাবনা
কখনো কখনো পড়ন্ত বিকেলে, সূর্য যখন তার সব লালিমা ঢেলে দিয়ে ধরণীকে এক অপরূপ সুধা দিয়ে তার রং-তুলি ও বাক্স-পেটরা গুছিয়ে সেদিনের মত নিদ্রা যাওয়ার আয়োজন করে আমি তখন দিগন্তের কোল ঘেঁষে আকাঁবাঁকা রেল-লাইন ধরে হেঁটে যেতাম দিকশূন্যপূরের দিকে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)