শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৫
শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৫
কঙ্গো-কে যেমন দেখেছি-১
সাধারণ মানুষের মধ্যে অপরাধ-প্রবণতা তুলনামূলক কম। কেউ অন্যায় করলে গ্রাম্য-মাতব্বর বা গ্রাম-প্রধানের শাস্তি অবলীলায় মেনে নেয়। সেটা হতে পারে ৩০ দিনের জেল কিংবা ৬০ দিনের। কিন্তু জেলখানা দেখে আমার হাসি পায়। আমি শহরের কথা বলছি না, বলছি গণ্ডগ্রামগুলোর কথা, আফ্রিকাকে দেখতে হলে বুঝতে হলে এই গ্রামগুলো, মানুষগুলো-কে অবশ্যই গুনতে হবে। পরিত্যক্ত একটি পুরনো বাড়ীতে যেটি কলোনিয়াল যুগের কোনো আবাসস্থল ছিল, এখন বসবাসের খুব একটা উপযোগী নেই, সেই রকম একটি একতলা পুরনো বিল্ডিং-কে তারা জেল-খানা বানিয়েছে। কোনো পাইক-পেয়াদা নেই, নিরাপত্তা রক্ষী নেই। যাকে শাস্তি দেয়া হবে সে সেখানে নিঃসঙ্গভাবে সময় কাটাবে, শাস্তির মেয়াদ পূরণ হলে আবার স্বাভাবিক জীবন-যাপন শুরু করবে। এখানে থেকে সে বেরুতে পারবে না, কোথাও যেতে পারবে না। সময় মত খাবার দিয়ে যাবে পরিবারের সদস্যরা।
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৫
জাম্বিয়াঃ জলীয় ধোয়ার গর্জনে মুখরিত সদা যে ভূমি
যাত্রা হলো শুরু
বুনিয়া কঙ্গো-র একটি
ছোট্ট উপশহর। যেদিন প্রথম এখানে পা রাখি, আমার সাথে সাথে চুনিয়া-র কথা মনে পড়ে
যায়। রফিক আজাদের একটি কবিতায় চুনিয়ার কথা আছে। ‘চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া’। যদিও এই শহর চুনিয়ার মত
নিষ্কলুষ নেই, রক্তে ভেসে গিয়েছিল এই আধো-মলিন উপশহরের অলি-গলি-পথ। কান পাতলে আজো
শোনা যাবে অযুত মৃতপ্রাণের দীর্ঘশ্বাস এই শহরের আকাশে-বাতাসে।
সেই বুনিয়া থেকে শুরু করলাম আমাদের যাত্রা। চারজনের একটি দল। এক নির্মল সকালে ব্যাকপ্যাক নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। দু-চোখে নতুন কিছু দেখার আনন্দ। বুনিয়া থেকে এন্টেবি, তারপর সেখান থেকে গোমা, গোমা থেকে কালেমি, কামিনা আর সর্বশেষ গন্তব্য লুবুম্বাসি। বলে রাখা ভালো সুন্দর নামের শহরগুলো দেখতেও ভারি সুন্দর। বুনিয়া থেকে এন্টেবি পর্যন্ত আমাদের ভ্রমণ নিষ্কণ্টক ছিল। সেখান থেকে গোমা পর্যন্তও কোনো গোল বাধেনি। শুধু মাঝখানে বিমান পরিবর্তন করার জন্য কিছুসময়ের জন্য নিতে হয়েছিল যাত্রা-বিরতি।
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০১৫
গণচীনের নতুন প্রজন্ম

শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৫
হোক তবে মৃত্যু
এ- এক অদ্ভূত মৃত্যুপুরী,
চারিদিকে শ্মশানের নীরবতা,
প্রয়াতদের কিম্ভূত অট্টহাস্য; অন্তরাত্মা বিদীর্ণ করা তাচ্ছিল্যের হিমদৃষ্টি,
আয়ুষ্মানদের ভীত আর্ত চোখ,
পলায়নপরতা আর অসহায়তার রোমহর্ষক হাহাকার
বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠা আকুতি বেঁচে থাকার -
হোক জীবন শিয়াল-কুকুরের
তবু ভিক্ষা মাগে জীবনের!
চারিদিকে শ্মশানের নীরবতা,
প্রয়াতদের কিম্ভূত অট্টহাস্য; অন্তরাত্মা বিদীর্ণ করা তাচ্ছিল্যের হিমদৃষ্টি,
আয়ুষ্মানদের ভীত আর্ত চোখ,
পলায়নপরতা আর অসহায়তার রোমহর্ষক হাহাকার
বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠা আকুতি বেঁচে থাকার -
হোক জীবন শিয়াল-কুকুরের
তবু ভিক্ষা মাগে জীবনের!
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৫
প্রতিমাশিল্পঃ প্রেক্ষিত দুর্গাপূজা ২০১৫
দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব। প্রতিবছর হিন্দুরা অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে এই উৎসব পালন করেন। বাংলাদেশে এইবারের পূজার স্লোগান ছিল, 'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।' তবে প্রতিবছরের মত এবারও বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা ভাঙার মত ন্যাক্কারজনক কুকর্মের পূনরাবৃত্তি হয়। যদিও বিভিন্ন মন্দিরে উৎসবের কোনো ঘাটতি চোখে পড়ে নি। শেষ দিন পর্যন্ত ছিল পূজোয় অসংখ্য দর্শনার্থী। হিন্দু ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পুজোর উৎসবে সামিল হয়েছেন সোৎসাহে। কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াও সারাদেশে পুজো উদযাপিত হয়। যথাযথ নিরাপত্তা প্রদানে সাফল্যের জন্য প্রশাসন ও সরকার সকলের কাছে সবিশেষ প্রশংসা অর্জন করেন।
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৫
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৫
মহাসুখ মন্দির বা স্বর্ণ-মন্দির
বান্দরবানের সবুজ পাহাড়-অরণ্যের সৌন্দর্যে যখন আমরা আপ্লুত ও মুগ্ধ আমাদেরকে আরো মুগ্ধ করে দিয়ে চোখের সামনে অপূর্ব স্বর্ণকান্তি রূপ নিয়ে হাজির হলো 'মহাসুখ' বা 'বৌদ্ধ ধাতু জাদি মন্দির'। বান্দরবান সদর থেকে আনুমানিক তিন কিলোমিটার পশ্চিমে বালাঘাট-এর একটা ছোট পাহাড় চুড়ায় এর অবস্থান। চারপাশে সবুজের সমারোহ, তার মাঝে এই সোনালী মন্দির এক অদ্ভূত আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল।আমরা যখন ট্যাক্সি থেকে নামলাম, উঁচু-তে তাকিয়ে দেখছিলাম সেই সোনালী আভার বিচ্ছুরণ।
মায়ানমারের জনৈক শিল্পীর ডিজাইনে এই মন্দিরের সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয় ২০০৪ সালে। শুধু স্থাপত্য নির্মাণ শৈলী নয়, বিভিন্ন রকমের বৌদ্ধ মূর্তি, জাতক কাহিনী বর্ণনার জন্য বিভিন্ন ধরনের নির্মান-শৈলী ও ভাস্কর্য ব্যবহৃত হয়েছে- তা যে-কোনো শিল্প-রসিক-কে ভালো লাগায় প্লাবিত করবে।
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৫
বইয়ের পাতায় আঁকিবুঁকি ২

সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫
কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি
আফ্রিকা-বাসের বিশেষ করে কঙ্গো-বাসের
সময় সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছিল যে জিনিসটি সেটা হলো সেখানকার আবহাওয়া। এত অসাধারণ
ভালো-লাগার প্রাকৃতিক পরিবেশ খুব বেশি জায়গায় মিলবে না। চীনের কুনমিং
এ-ধরনের পরিবেশ পেয়েছিলাম, এ-শহরটিকে চির
বসন্তের শহর নামে আখ্যায়িত করা হয়। বুনিয়া বা ইতুরি কিংবা আরো ব্যাপকভাবে
বললে ওরিয়েন্টাল প্রদেশ-কে চির-বসন্তের নামে আখ্যায়িত করার তথ্য কোথাও
পায় নি। যদিও আবহাওয়া তথাকথিত চিরবসন্তের স্থানগুলোর চেয়ে কোনোভাবেই অশ্রেয়তর
বলা যাবে না।
বই-পুস্তকে ঐ অঞ্চলের
জলবায়ু বা আবহাওয়া সম্পর্কে কী বলা হয়েছে, সে-সব তথ্য ঘাটার সুযোগ হয় নি, কিংবা তেমন দরকারও বোধ করি নি। টানা তিন বছর এক
এলাকায় বাস করার কারণে সেখানকার আবহাওয়া জানার জন্য বইয়ের তথ্যের খুব
দরকার আছে বলে মনে হয় নি। তবে জলবায়ুর যে বৈশ্বিক পরিবর্তন প্রতিনয়ত পরিলক্ষিত
হচ্ছে, তাতে
আমার দেয়া তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা হয়তো বেশিদিন স্থায়ী নাও
হতে পারে। কাজেই রেফারেন্স হিসেবে বিবেচনা করতে চাইলে আমার বলা কথাগুলোকে ‘২০১০
থেকে ২০১৩ সালের মধ্যকার সময়ে ইতুরি অঞ্চলের আবহাওয়াঃ একজন প্রত্যক্ষদর্শী-র বিবরণ’
হিসেবে সাব্যস্ত করলে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবো।
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৫
প্যারিসের পথে পথে
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৫
ঘোর লাগা মুভিঃ ইন্টারস্টেলার
সায়েন্স ফিকশন যদি হয়
মহাবিশ্ব নিয়ে তাহলে সেটার প্রতি আমার মুগ্ধতা আগে থেকেই তৈরি হ'য়ে যাবে! এটা এমন একধরনের মুগ্ধতা, যুক্তিবাদী মন সেখানে বেশি ঝামেলা করবে
না। 'গ্র্যাভেটি' মুভিটি দেখেছিলাম ব্লকবাস্টার, যমুনা ফিউচার পার্কে। মুভিটি খুব বেশি জনপ্রিয়তা
পায় নি, মানে
ইন্টারস্টেলার- এর তুলনায় অনেক পিছিয়ে। আমি ফিজিক্স কিংবা এস্ট্রোফিজিক্স ভালো বুঝি না, সেই আমার কাছেও অনেক বেশি গাঁজাখুরি মনে
হয়েছে, আরো একটু যত্ন
দিয়ে কাহিনীটি নির্মাণ করা যেত, আরো বিশ্বাসযোগ্য
হতে পারত গল্পটি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গল্পটি শিশুতোষ ও অতিমাত্রায় নাটকীয়তায় পর্যবাসিত হয়।
কিন্তু যতক্ষণ মহাশুণ্যে ভাসছিল কৃত্রিম উপগ্রহগুলি, সেগুলো থেকে ছিটকে পড়ছিল নভোচারীরা, ভেসে বেড়াচ্ছিল অন্তহীন
মহাশূণ্যে- ততক্ষণ এক অদ্ভূত শিহরণ বয়ে যাচ্ছিল আমার ভেতর। শুধু ঐ দৃশ্যগুলি যে
অনন্য অসাধারণ মোহময়তা তৈরি করছিল আমার ভেতর, ভালোলাগায় আচ্ছন্ন করে রেখেছিল আমাকে তাতেই আমার সন্তুষ্টি। আমার
কোনো খেদ আর তৈরি হয় নি, সময়ের অপচয় মনে হয় নি একটুও।
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৫
তুরস্কের কার্পেট-শিল্প
ভ্রমণটা বেশ মনে রাখার মত হয়েছিল। অনেকগুলো জায়গা ঘুরে দেখেছিলাম। ভ্রমণ কোম্পানিটি বেশ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। আমাদের গাইড-টিও ছিলেন বেশ ভালো। কাছাকাছি জায়গায় আমরা বেশকিছু প্রাচীন নিদর্শন ঘুরে দেখি।
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৫
লেক ভিক্টোরিয়ার স্মৃতি
![]() |
লেক ভিক্টো্রিয়া |
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০১৫
পাহাড় আমায় হাতছানি দিয়ে ডাকে
হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত। দেশে টানা কয়েকমাসের অবরোধ চলছিল। আন্ত-জেলা যোগাযোগ-ব্যবস্থা কার্যত অচল। আমি আফ্রিকা থেকে দেশে এসে গৃহবন্দি। তথাপি এই দুর্যোগের মধ্যে কীভাবে যেন বিয়েটা করে ফেললাম! এইবার তো ডাবল বন্দী! মন আঁকুপাঁকু করছিল। কোথাও থেকে ঘুরে আসি।
অবশেষে বিএনপি-জামাতের অবরোধ শিথিল হলো কী একটা কারণে যেন। ভাবলাম এই সুযোগ। বেরিয়ে পড়া যাক। যেই ভাবা সেই কাজ। অনেক ভেবচিন্তে দেখলাম এই মুহুর্তে ভ্রমণের জন্য বান্দরবান হতে পারে আদর্শ জায়গা। বউকে আধাঘন্টা সময় দিলাম, জানি দু-ঘন্টা লাগাবে। কিন্তু এক ঘণ্টা সময় দিলে তো চার ঘণ্টা লাগাতো!
অবশেষে বিএনপি-জামাতের অবরোধ শিথিল হলো কী একটা কারণে যেন। ভাবলাম এই সুযোগ। বেরিয়ে পড়া যাক। যেই ভাবা সেই কাজ। অনেক ভেবচিন্তে দেখলাম এই মুহুর্তে ভ্রমণের জন্য বান্দরবান হতে পারে আদর্শ জায়গা। বউকে আধাঘন্টা সময় দিলাম, জানি দু-ঘন্টা লাগাবে। কিন্তু এক ঘণ্টা সময় দিলে তো চার ঘণ্টা লাগাতো!
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
একদিন ধরা খাওয়ার দিন.........
সেপ্টেম্বর মাসের ১১ তারিখ। ২০১৪ সাল। আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কাতেড্রা ইন্ডেটেক্স চেয়ার-এ স্পেনিশ ভাষার ক্লাস করতে গেলাম। সিঁড়িতে এক জুনিয়র ভাই কাম বন্ধু-র সাথে দেখা। সেও স্পেনীয় ভাষা শেখে, শেখে চীনা ভাষাও। কিছুদিন চীনা ভাষার একটা পরীক্ষা দিয়েছিলাম। সে জানালো রেজাল্ট হয়েছে।
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
অতঃপর পেলাম......
অবশেষে সমর্থ হলাম একটা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মালিক হ'তে। তবে যে-পরিমাণ কাঠ-খড় পোড়াতে হয়েছিল তা ভাবলে এখনো গায়ের রোম খাড়া হয়ে যায়। তবে এত কষ্ট হতো না, যদি দুই নাম্বারি করে ঘুষ দিয়ে এই লাইসেন্স নেয়ার চেষ্টা করতাম। শুরু থেকে একটা জেদ কাজ করছিল কোনো ঘুষ না দিয়ে লাইসেন্স নেব। দেখে কোন ব্যাটা আমাকে আটকায়।
যেভাবে শুরুঃ
বিদেশ যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা থেকে আমি সস্ত্রীক ড্রাইভিং শেখার চিন্তা-ভাবনা শুরু করি। পত্রিকা আর অনলাইনে ভালো একটা ড্রাইভিং স্কুলের সন্ধান করতে থাকি। ৪ টি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক বাছাইয়ে রেখে খোঁজ-খবর নেয়া শুরু করি; কোর্সের ধরন, সময়-কাল, টাকা সব বিবেচনায় রাখি।
যেভাবে শুরুঃ
বিদেশ যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা থেকে আমি সস্ত্রীক ড্রাইভিং শেখার চিন্তা-ভাবনা শুরু করি। পত্রিকা আর অনলাইনে ভালো একটা ড্রাইভিং স্কুলের সন্ধান করতে থাকি। ৪ টি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক বাছাইয়ে রেখে খোঁজ-খবর নেয়া শুরু করি; কোর্সের ধরন, সময়-কাল, টাকা সব বিবেচনায় রাখি।
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
সোয়াহিলি পাঠ ১
গৌরচন্দ্রিকা
মধ্য আফ্রিকার দেশ
কঙ্গো-তে চাকরির সুবাদে প্রায় বছর তিনেকের মত থাকতে হয়েছিল। অনুবাদক ও দোভাষীর কাজ
করার দরুন সাধারণ মানুষের সাথে মিশতে হয়েছিল হরহামেশাই। অসংখ্য উপজাতি ও তাদের
ভাষার বৈচিত্র আমাকে মুগ্ধ করেছিল। পুরো কঙ্গো জুড়ে প্রায় ৪৫০টির মত ভাষার প্রচলন
আছে।
মৃত-বালকের গল্প
বর্ষার
কোনো
এক
দুপুর।
আকাশ
জুড়ে
কালোমেঘ। অতঃপর
বৃষ্টির সঙ্গীত। চারিদিকে ছায়া-ছায়া। আঁধারের আনাগোনা ঘরের
কড়িকাঠে। কাকভেজা হয়ে
আছে
সারা
বাড়ি।
উঠোন
করছে
স্নান
বর্ষার
নবধারা
জলে।
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৫
শপথ হোক দুঃখ ঘোচার
'৫২ এর এক লাজুক রোদ্দুরের বসন্ত দিনে লাল টকটকে রক্তে ধুয়ে মুছে যায় 'পাকসার জমিন সাদবাদ'। শহীদ কণ্ঠে আকাশ-পাতাল প্রকম্পিত হয় 'আমার সোনার বাংলা'য়। আর সেই ধ্বনিত কণ্ঠ আমার মাতৃভাষার, বাংলার। রক্তাক্ত ট্রাজেডির মধ্য দিয়ে পিচঢালা কালো রাজপথ রঞ্জিত করে যে ভাষার জন্ম, খুলি থেকে মগজ ঢেলে দিয়ে বঙ্গজননীর দামাল সন্তানেরা যে ভাষায় অধিকার স্থাপন করেছে কথা বলার, মাকে ডাকার, সেই তো আমরি বাংলাভাষা।
ভুবনের বাসিন্দারা
কতোক ড্রাকুলা বীভৎস উল্লাসে ছিন্নভিন্ন করে খেলো প্রস্ফুটিত গোলাপটিকে - হ্যাঁ, আমার প্রাণাধিক সহোদরাকে। বড্ড প্রিয় দিদিটিকে! ব্যর্থ আমি পারি নি এক বুক স্নেহকে নিষ্কণ্টক রাখতে, ভালোবাসায় আর্দ্র এক অবারিত নীল আকাশে তারাফুল ফুটাতে।
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৫
ডায়েরির পাতা থেকে
বিশ্ববিদ্যালয় পড়াকালীন সময়ে ডায়েরির পাতায় মনের মাধুরী মিশিয়ে ছবি আঁকার একটা বাতিক ছিল আমার। একা বসে আছি, ডায়েরি খুলে কিছু একটা এঁকে ফেলতাম। কোনো স্যারের ক্লাসে হয়তো মন বসাতে পারছি না, কিংবা লেকচারটাই হয়তো ভালো হচ্ছিল না- সময় কাটানোর জন্য কিছু একটা করতে হবে, ডায়েরি সাদা পাতা সেই সব মুহুর্তে আমার একান্ত প্রিয়জন হয়ে উঠতো।
শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৫
রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৫
মাসাইমারা ভ্রমণ
অনেকদিন হয়ে গেল মাসাইমারা থেকে ফিরে এসেছি। কিন্তু গায়ে এখনো রয়ে গেছে সেই বিস্তীর্ণ প্রান্তরের রোদ-মাখা ঘ্রাণ।
চোখে ভেসে উঠে নাবালক ইম্পালার লম্পঝম্প। পুরনো শার্টের বুকপকেট থেকে হয়তো হঠাৎ আবিষ্কার করে ফেলা সম্ভব লাইলাক ব্রেস্টেড পাখির ছোট্ট পালক। চোখ বুজলে ভেসে ওঠে নরম কচি ঘাসের ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়া দর্পিত সিংহের পাল
চোখে ভেসে উঠে নাবালক ইম্পালার লম্পঝম্প। পুরনো শার্টের বুকপকেট থেকে হয়তো হঠাৎ আবিষ্কার করে ফেলা সম্ভব লাইলাক ব্রেস্টেড পাখির ছোট্ট পালক। চোখ বুজলে ভেসে ওঠে নরম কচি ঘাসের ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়া দর্পিত সিংহের পাল
জন্মজয়ঃ অন্যরকম যুদ্ধজয়ের গল্প
জন্মজয় এক অন্যরকম যুদ্ধ-জয়ের কাহিনী। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এক অপরাজেয় সংগ্রামের কাহিনীরূপ 'জন্মজয়'। নিঃসন্তান দম্পতির হৃদয় আকুল করা হাহাকারে ছুঁয়ে গেছে পৃথিবীর এ-প্রান্তের ও-প্রান্তের অগণন মানুষের হৃদয়। মানুষের জন্য মানুষের হৃদয় উজাড় করা ভালোবাসার, স্নেহের, কল্যাণের অসামান্য আখ্যান বাদল সৈয়দের এ-গ্রন্থ।
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০১৫
কলকাতা ২০১৫
অনেকদিনের পরিকল্পনা ভারত যাবো। কিন্তু ইউরোপ, আফ্রিকা ঘুরা হয়ে গেল ভারত আর যাওয়া হয়ে ওঠে না। প্রথমবার ভিসার জন্য এপ্লাই করে ভিসাই পাই নি। মেজাজ গেল বিগড়ে। যাইহোক চার মাস পর সব কাগজপত্র প্রস্তুত করলাম, দালালকে ৩০০০ হাজার টাকা দিয়ে এপয়েন্টমেন্ট নিলাম এবং অবশেষে ভিসা পেলাম।
বুধবার, ৮ জুলাই, ২০১৫
দিন যায়...
সময় ধাবমান। বয়েসের ছাপ একটু একটু করে দৃশ্যমান হচ্ছে গালের ভাজে, কপালের মধ্যে বলিরেখা এখনো স্পষ্ট না হলেও একটু মনোযোগ দিলে বুঝা যায় কৌশোর বা তারুণ্যের সেই সোনারঙ লাবণ্য অপসৃয়মান। কোমলতা ও ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে আমার দেহের ওপর লেপ্টে আজন্মের প্রিয় ত্বকও। কিন্তু কী অবস্থা মনের তারুণ্যের?
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)